দুধ বেশি খেলে হাড় ভাঙে হৃদরোগ বাড়ে

নিয়মিত দিনে এক গ্লাসের বেশি দুধ পান করলে নারীদের হাড় ভাঙার সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং পুরুষেরা হৃদরোগে মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলেই ধারণা করছেন গবেষকেরা। সুইডেনের বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বেশি দুধ পানের সঙ্গে নারী-পুরুষের এমন স্বাস্থ্য সমস্যার সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান এ খবর দিয়েছে

দুধের অনেক গুণ, এ কথাই আমরা জানি। দুধ ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন বি-১২ সহ নানান পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। ব্রিটেনের সরকারি স্বাস্থ্য পরামর্শে বলা হয়ে থাকে, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে প্রায় ৭০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয় এবং দুধ এই ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। দেশটির ডেইরি কাউন্সিল বলছে, নিয়মিত দুধ পানে হাড়ের ক্ষয়রোগ দূর হয় এ​বং স্তন ক্যানসার ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। দাঁতের চিকিৎসকেরাও দিন ও রাতের আহারের ফাঁকে পানি ছাড়া দুধকেই আদর্শ পানীয় বলে উল্লেখ করে থাকেন।
কিন্তু সুইডেনের একটা গবেষক দল সম্প্রতি দুধের এই ‘আদর্শ পানীয়ের’ প্রতি ‘অতিরিক্ত পক্ষপাত’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ১৩ থেকে ২২ বছর বয়সী ৬১ হাজার নারী এবং ৪৫ হাজার পুরুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, দিনে এক গ্লাসের বেশি দুধ খেলে নারীদের হাড় ভাঙার সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং পুরুষেরা হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।সুইডেনের এ গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা দিনে দুই গ্লাস বা তার চেয়ে বেশি দুধ পান করেন, তাঁদের হাড়ের ক্ষয়রোগের আশঙ্কা যারা দিনে এক গ্লাস দুধ পান করেন তাঁদের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি। আর দিনে তিন গ্লাস বা তার চেয়ে বেশি দুধ পান করলে এই আশঙ্কা আরও বেশি মাত্রায় বেড়ে যেতে থাকে। পুরুষের ক্ষেত্রেও বেশি দুধ পানে প্রায় একই রকম আশঙ্কা বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেন গবেষকেরা।

শীতে খুশকিমুক্ত থাকার উপায়

শীতকালে কমবেশি সকলেই খুশকির যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। এর মূল কারণ হচ্ছে রুক্ষ আবহাওয়া এবং পরিবেশের ধুলোবালি যা মাথার ত্বকে খুশকির উপদ্রব বাড়ায়। তবে এ খুশকির উপদ্রব দ্রুত দূর করার রয়েছে বেশ কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায়। একটু সময় বের করে নিয়ে এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন যন্ত্রণাদায়ক খুশকির হাত থেকে। শীতে খুশকিমুক্ত থাকার উপায় বেকিং সোডার ব্যবহার: মাথা পানি দিয়ে ভালো করে ভিজিয়ে নিন। এরপর বেকিং সোডা আঙুলের ডগায় লাগিয়ে পুরো মাথার ত্বকে ঘষে ঘষে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর চুল পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু দেবেন না। পরের দিন শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলবেন। সপ্তাহে ১ বার ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।